ঘরে-বাইরে নারী

রবিবার, ১১ মার্চ ২০১৮ | ৮:৫৩ অপরাহ্ণ | 136 বার

ঘরে-বাইরে নারী

ঘরে বাইরে সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছে নারী। শিক্ষায়-দীক্ষায় নারীর এগিয়ে যাওয়া চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষাগুলোর ফলাফলের দিকে তাকালে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। শীর্ষস্থানগুলো দখল করে রেখেছে মেয়েরা। পাশাপাশি কর্মস্থলে দৃঢ়তার সাক্ষর রেখে যাচ্ছে এ যুগের নারীরা।

যার ফলে কর্পোরেট সেক্টরের শীর্ষস্থানীয় অনেক আসন আজ নারীদের দখলে। যোগ্যতার পরিচয় দিয়েই এ আসনে আসীন হয়েছে। নিঃসন্দেহে একটি জাতির জন্য ইতিবাচক একটি দিক। বাংলাদেশে নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে যে বাস্তবিকই কার্যকর অগ্রগতি হয়েছে- তার স্বীকৃতি এখন পাওয়া যাচ্ছে।

এখানে স্কুলে মেয়েদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি অনেকেরই প্রশংসা অর্জন করেছে। সম্প্রতি ভারতের নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বলেছেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বে একমাত্র দেশ যেখানে ছেলেদের তুলনায় স্কুলে মেয়েদের উপস্থিতির হার বেশি। বাস্তবিকই নানা সমস্যায় জর্জরিত বাংলাদেশে গত দু’তিন দশক ধরে অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও কিছু ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে; এর মধ্যে অন্যতম হল নারী উন্নয়ন।

অনেক উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় এখানে মাতৃমৃত্যুর হার যথেষ্ট কম। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

১৯৪৮ সালের মানবাধিকার সনদে নারীর অধিকার অর্জনের প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়। জাতিসংঘ নারীর অধিকার নিশ্চিত কারার জন্য আন্তর্জাতিক নারী বর্ষ পালন, নারী দশক ঘোষণা, বিশ্ব নারী সম্মেলন, সিডও সনদসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। নারীকে তার যথাযথ সম্মানের আসনে বসাতে হলে পুরুষদের যেমন নারীর প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসতে হবে। তেমনি নারীদেরও তাদের মর্যাদার কথা মনে রাখতে হবে।

সততা

সম্পর্কের ক্ষেত্রে মূল স্তম্ভ হচ্ছে সততা। প্রতিটি সম্পর্কের বিষয়ে সততা দেখাতে হবে। একজনকে অন্যজনের অনেক কাছে নিয়ে আসবে যখন সে বলতে পারবে, ‘যাই হোক তুমি আমার সম্পর্কে সত্যটাই জানবে।’

নমনীয়তা

পুরুষ একজন নারীকে তার শান্ত এবং নমনীয় স্বভাবের জন্য বেশি পছন্দ করে। নারীর নমনীয় স্বভাব তাকে আকর্ষণীয় করে তোলে। একজন নমনীয় স্বভাবের নারী উচ্চৈঃস্বরে চিৎকার, গলাবাজি করে না। ঘরের বাইরে নমনীয় স্বভাবের পরিচয় দেয় তখন তাকে অনেক বেশি কোমল করে তোলে। একজন নারীর শারীরিক অঙ্গভঙ্গি, কথা বলার ধরন, চোখের নরম চাহনি পুরুষকে আকর্ষণ করার হাতিয়ার হতে পারে।

বিশ্বস্ততা

একজন নারীর শান্ত স্বভাব তাকে পুরুষের কাছে বিশ্বস্ত করে তোলে। পুরুষ তখনই নারীর প্রতি আকর্ষণবোধ করে যখন সে তার কাছে সব গোপন কথা শেয়ার করতে পারে। পছন্দের পুরুষকে কাছে টানতে আপনার স্বভাবসুলভ সরলতা ও লাজুকতার সাহায্য নিন। এমন কিছু কখনও করা যাবে না যাতে করে দু’জনের মধ্যে বিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায়। শুধু অবিশ্বাসই একটি সম্পর্ক ধ্বংস করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।

সঙ্গীর গুরুত্ব প্রকাশ করুন

সব পুরুষ যে কোনো সম্পর্কে নিজের আধিপত্য বিস্তার ও তা প্রকাশ করতে বেশি ভালোবাসে। পুরুষরা লাজুক নারীদের বেশি পছন্দ করেন কারণ তারা বোঝেন, লাজুক মেয়েদের সহজে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। পুরুষরা চায় তার নারী সঙ্গীটি যেন তার কথা শোনে, তাকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়, কোনো ব্যাপারে অমত হলেও চিৎকার বা রাগারাগি না করে।

ধীরস্থির স্বভাব

আশ্চর্য হলেও সত্য নারীদের কাজ বা চলাফেরার ধীরগতি তাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। একজন নারী যখন নিজেকে শারীরিক বা মানসিকভাবে প্রকাশ করতে সময় বেশি নেবে তখন তা তাকে বেশি আকাক্সিক্ষত করে তোলে। এতে সঙ্গীর প্রতি অনুভূতিও বৃদ্ধি পেতে থাকে।

ক্ষমা

একদিনে কোনো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না। কোনো ভুল হলে প্রথমেই সম্পর্ক ভেঙে দেয়ার চিন্তা না করে সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে।-jugantor

zahidit

Development by: zahidit.com

Select language »